ভবিষ্যতের ফ্লাইং কার নিয়ে বিস্তারিত শেষ হচ্ছে 5 মিনিটে

বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ এবং নিঃসন্দেহে এখন সময় এবং তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এযুগের সময়ের গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় হয় ঘরের বাহিরে। সেটা আবার যদি কোনো ভ্রমণের বা কোন যাত্রার ক্ষেত্রে হয় তাহলে তো কথাই নেই। 

কারণ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যানজটের ভোগান্তি পায় নাই এমন কোন লোক খুঁজে পাওয়া দুরূহ। শুধুমাত্র সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়া প্রায় সকল সাধারণ জনগণের সমস্যার ঊর্ধ্বে নয়। 

তাই সামনের বিশ্ব ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ফ্লাইং কার নির্মাণের চিন্তাভাবনা করতেছে। এমনিতে প্লেন এর মাধ্যমে আকাশে উড়ার স্বপ্ন পূরণ হয় কিন্তু যদি আপনার গাড়িটি আরো একধাপ এগিয়ে আকাশে ওড়ার স্বপ্ন পূরণ করতে কাজ করে তাহলে কেমন হয়। বর্তমানে এখন আবার তাদের একটি মহা প্রকল্প নিয়ে এগোচ্ছে যাত্রীদের ওড়ার অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য। 

ফ্লাইং কার এর প্রজেক্ট নিয়ে প্রায় সারা বিশ্বে 100 টিরও বেশি প্রকল্প চলমান রয়েছে। কিন্তু এবারের খবর হলো জাপানের স্কাইড্রাইভ কোম্পানির। তারা সম্প্রতি প্লেন এর মতো গাড়ি দিয়ে যেন আকাশে ওড়ার স্বপ্ন পূরণ হয় এবং এটি ফ্লাইং কার তৈরি করেছে। 

শুধু তাই নয় ফ্লাইং কার এর পরীক্ষামূলক ভাবে আকাশে উড়ন নিশ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু দুঃখের ব্যাপার হলো এটি একজন চালকসহ 4 মিনিট উড়তে পারে। স্কাইড্রাইভ কোম্পানি জানিয়েছে 2030 সালের মধ্যেই পুরো প্রকল্প টি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বাজারে ছাড়া যাবে। তাই তারা এখন সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত করছে নিরাপত্তার উপর। কারণ এটিই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কোন গাড়ি আকাশে উড়ানোর জন্য। 

তারা আপাতত 5 থেকে 10 মিনিটের মধ্যেই একটি সংক্ষিপ্ত যাত্রা শেষ করতে সক্ষম হচ্ছে। কিন্তু বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এটি তৈরি করতে তাদের চালানোর ক্ষমতা আরও বেশি সময় বৃদ্ধি করতে হবে। তা না হলে এই প্রকল্পটি আর সম্ভাবনার মুখ দেখবে না। 

মজার ব্যাপার হলো এই ফ্লাইং কারটি চালাতে কোন পাইলট এর প্রয়োজন হবে না। তাছাড়া আকাশের চড়তে এয়ারপোর্ট এর মত কোন নিয়মাবলী অনুসরণ করার প্রয়োজন হবে না। ফ্লাইং কার স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলবে যা আপনাকে সঠিক গন্তব্যে কোন অভিজ্ঞতা ছাড়াই পৌঁছাবে। 

আবার একটি দুঃখের বিষয় হল এই ফ্লাইং কার টির দাম এক কোটি ডলার হতে পারে। তবে তারা 2023 সালের মধ্যেই বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এটি তৈরি করতে পারবে বলে জানিয়েছে। তাছাড়া বাণিজ্যিকভাবে ব্যাটারি এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল ও অবকাঠামো নির্মাণে জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছে।

কিন্তু এটার দাম যদি এক কোটি ডলার হয় আবার শুধু মাত্র 5 মিনিট উড়ানোর সক্ষমতা থাকে তাহলে এটি বিক্রি করার জন্য ক্রেতা পাওয়া দুরূহ হয়ে যাবে। আবার কখনো যদি অ্যাক্সিডেন্ট করে তাহলেও বিক্রির ক্ষেত্রে দারুণ প্রভাব ফেলবে। তাই বাণিজ্যিকভাবে স্কাইড্রাইভের ফ্লাইং কার বাজারে ছাড়ার জন্য আরও বিস্তর পরিকল্পনার এবং দক্ষ সক্ষমতা তৈরি বৃদ্ধি করা।

Newsletter Updates

Enter your email address below to subscribe to our newsletter

Leave a Reply